> সহজে জাপানী শেখা > অনলাইনে জাপানী ভাষা শেখা > জাপানে বসবাসের জন্য টিপস্

জাপানে বসবাসের জন্য টিপস্

ভাষা, রীতি-নীতি, শিষ্ঠাচারসহ জাপানী সংস্কৃতি সম্পর্কে সংক্ষেপে জানুন। হয়তো এমন কিছু পেয়ে যাবেন, যা জানতে আপনি সবসময়ই আগ্রহী ছিলেন।

পাঠ 50 সাসেতে ইতাদাকিমাস

আজকাল জাপানীরা প্রায়ই এই "সাসেতে ইতাদাকিমাস" অভিব্যক্তি ব্যবহার করেন। "সাসেতে ইতাদাকিমাস" বললেই মার্জিত হবে, এ রকম যারা চিন্তা করছেন তাদের সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে।
একটা দৃষ্টান্ত দিচ্ছি। মিটিং-এর শুরুতে কেউ কেউ বলেন "সেৎসুমেই সাসেতে ইতাদাকিমাস"। এটা "সেৎসুমেই শিমাস" অর্থাৎ "ব্যাখ্যা করা"-এর বিনয় প্রকাশ করা অভিব্যক্তি, তবে সাধারণভাবে "সেৎসুমেই শিমাস" বললেই চলে।
আবার কখনও কখনও দেখা যাচ্ছে যে দোকানের প্রবেশ পথে "জুউজি কারা এইগিয়ো সাসেতে ইতাদাকিমাস" লেখা হয়। "এইগিয়ো শিমাস" অর্থাৎ "দোকান খোলা" থেকে এই অভিব্যক্তি হয়, তবে এটাও আসলে এই অভিব্যক্তির ভুল ব্যবহার।
কিন্তু এদিকে এও সত্য যে ভাষাটা সময়ের সাথে বদলে যায়। ভবিষ্যতে এ রকম জাপানী ভাষাও ঠিক ব্যবহার হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনাও আছে।

পাঠ 50 দেখা

পাঠ 49 গোসল ( স্নান )

জাপানে মোটামুটি সব বাড়িতে স্নানাগার রয়েছে। বাথটাবের আকার মোটামুটি এরকম, যার ভিতরে একজন পুরুষ পা সোজা করে বসতে পারে আর ঘাড় পর্যন্ত পানিতে ডুবে থাকে। বাথটাবের পানি প্রত্যেকবার বদল না করে পরিবারের সবাই সেখানে নামেন বলে, নামার আগে শরীর এবং চুল ধোয়া দরকার।
জাপানীরা শুধু নিজের বাড়িতে গোসল করেন না, উষ্ণ প্রস্রবণে গিয়েও প্রায়ই গোসল করেন। উষ্ণ প্রস্রবণে গোসল করার উদ্দেশ্যে ভ্রমণকে "ওনসেন রিয়োকো" বলা হয়। বেশির ভাগ উষ্ণ প্রস্রবণে "রোতেন-বুরো" অর্থাৎ বাইরে স্নানের জায়গাও থাকে। সেখানে বাগান বা বাইরের মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে করতে গোসল করা যায় বলে এটা খুব জনপ্রিয়।

পাঠ 49 দেখা

পাঠ 48 ঋতুভিত্তিক খাদ্য

জাপানে চারটি ঋতু রয়েছে। আর একই সাথে রয়েছে এক এক ঋতুতে সে সময়ের টাটকা এবং বিশেষ খাবার।
বসন্ত ঋতুর প্রতিনিধিত্ব করা খাবার হচ্ছে bamboo shoot এবং বছরের প্রথম bonito মাছ। bamboo shoot বা তাকেনোকো হচ্ছে বাঁশের নতুন অঙ্কুর।
গ্রীষ্ম ঋতুতে প্রায়ই শশা বা বান মাছ খাওয়া হয়। বলা হয় যে শশা শরীরের তাপমাত্রা কমিয়ে দেয় আর গ্রীষ্মকালের শরীরের পরিশ্রান্তিকে দূর করে দেয়।
শরৎকাল বলা হয় "শিয়োকুইয়োকু নো আকি" অর্থাৎ "খাওয়ার ইচ্ছা বাড়ার ঋতু"। শরৎকালে অনেক ভাল খাবার পাওয়া যায় যেমন খাকি ফল, সাম্মা মাছ আর বিভিন্ন ধরনের মাশরুম ছত্রাক।
শীতকালের প্রতিনিধিত্ব করা খাবার হচ্ছে মুলা আর সামুদ্রিক cod মাছ। বলা হয় এগুলো শরীরের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
নির্দিষ্ট ঋতুর খাবার সেই ঋতুতে বেশি বেশি পাওয়া যায়, বেশি বেশি বিক্র হয়। আর তাই সস্তা দামেই পাওয়া যায়। বিশেষ করে সামুদ্রিক খাদ্য নিয়ে জাপানে এই ধারণা আছে যে এগুলো বিশেষ ঋতুতে খাওয়াই ভাল। বাজারেও বিক্রেতারা "এই বছরের প্রথম"- এমন ঘোষণা দিয়ে বিশেষ বিশেষ মাছের প্রচার চালায়।

পাঠ 48 দেখা

পাঠ 47 স্থানীয় আকর্ষণীয় খাদ্য

জাপানী দ্বীপপুঞ্জ উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত বলে অঞ্চল ভেদে আবহাওয়া ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। আবার চারটে ঋতুর প্রত্যেকটিই বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত রূপে ধরা দেয়। এখানে ঋতু ও অঞ্চল অনুযায়ী বিভিন্ন উপাদেয় খাবার পাওয়া যায়, যেগুলোকে বলা যেতে পারে "প্রকৃতির দান"।
ফুজি পর্বতের পাদদেশে বিস্তৃত শিযুওকা জেলা চায়ের জন্যে বিখ্যাত। এখানে অন্য যে কোনো জেলার চেয়ে বেশি পরিমাণে চা উৎপন্ন হয়। এছাড়া এই জেলা প্রশান্ত মহাসাগরের তীরে অবস্থিত বলে এখানে প্রচুর টাটকা সামুদ্রিক পণ্যও পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে গোলাপী রঙের ছোট "সাকুরা চিংড়ী"।
রাজধানী ও শিল্প-উদ্যোগের কেন্দ্র টোকিওতেও স্থানীয় সুস্বাদু খাবার পাওয়া যায়। যেমন নোরি। এই সামুদ্রিক উদ্ভিদ দিয়ে কালচে কাগজের মত দেখতে যে খাবার তৈরি করা হয়, সুশি-র ভাত মুড়িয়ে সেটি খাওয়া হয়। জাপানের বহু জায়গায় নোরি পাওয়া গেলেও টোকিও উপসাগর থেকে আহরিত নোরি, তার স্বাদ ও ঘ্রাণের জন্যে বিশেষভাবে জনপ্রিয়।
আজকাল ইন্টারনেটের মাধ্যমে যেকোনো জায়গার বৈশিষ্ট্যপূর্ণ খাবার অনায়াসে পাওয়া গেলেও, বছরের যেসময় যেখানে যে উপাদেয় খাবার পাওয়া যায়, ঠিক তখনই সেখানে গিয়ে সেটি খাওয়ার আনন্দের কোন তুলনা হয় না।

পাঠ 47 দেখা

পাঠ 46 ফুজি পর্বত

ফুজি পর্বতে ওঠার জন্যে সবচেয়ে ভাল সময় হচ্ছে জুলাই এবং আগস্ট। এই দুই মাসে তিন লক্ষেরও বেশি লোক ফুজি পর্বতের চূড়ায় ওঠার চেষ্টা করেন। আর এদের মধ্যে ত্রিশ শতাংশ লোকই হচ্ছেন বিদেশী। জাপানে জুলাই, আগষ্ট মাস গ্রীষ্মকাল হলেও তিন হাজার সাত শ ছিয়াত্তর মিটার উচ্চতার চূড়ার আশেপাশে তাপমাত্রা নেমে গিয়ে আবহাওয়াও প্রায়ই পরিবর্তিত হয়। সে জন্যে বর্ষাতি বা কোট, পানীয় জল এবং জরুরী খাবার নিয়ে যাওয়া দরকার। তা ছাড়া উচ্চতাজনিত অসুস্থতা (altitude sickness) যেন না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
পুরুষ-মহিলা, ছোট-বড়, সবার মধ্যেই এই ফুজি পর্বত অত্যন্ত জনপ্রিয়। তবে একশ পঞ্চাশ বছর আগে পর্যন্ত মহিলাদের এই পর্বতে ওঠা নিষিদ্ধ ছিল। দু-একটা লেখা থেকে জানা যায় যে তার আগেও কোন কোন মহিলা পুরুষের পোশাকে ছদ্মবেশে ফুজি পর্বতের চূড়ায় উঠেছিলেন। প্রাচীনকাল থেকেই ফুজি পর্বত বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে অনেক লোকের মনে সেখানে ওঠার ইচ্ছা জন্মায়।

পাঠ 46 দেখা

[বিনামূল্যে] পাঠসমূহ ডাউনলোড করা (অডিও/ টেক্সট)

জাপানী ভাষা শিক্ষা পাঠ সংক্রান্ত প্রশ্ন বা মতামত মন্তব্য পাঠানো