এনএইচকে ওয়ার্ল্ড > সহজে জাপানি ভাষা > মূল পৃষ্ঠা > টিচার, আমাদের বুঝিয়ে দিন > সম্ভাব্যতা বা সক্ষমতাজ্ঞাপক ক্রিয়াপদ (পাঠ 35)

টিচার, আমাদের বুঝিয়ে দিন

সম্ভাব্যতা বা সক্ষমতাজ্ঞাপক ক্রিয়াপদ (পাঠ 35)

ক্রিয়ার সক্ষমতাজ্ঞাপক রূপটির দুই রকম অর্থ হয়ে থাকে। এর একটি হল, কোন কিছু করবার সক্ষমতা। যেমন, “আমি জাপানি ভাষায় কথা বলতে পারি” এটি বোঝাতে কথা বলা, অর্থাৎ "হানাশিমাস্‌" ক্রিয়াটির পরিবর্তিত রূপ, " হানাসেমাস্‌" (বলতে পারা) রূপটি ব্যবহার করা যায়।

অন্য ব্যবহারটি হল, নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে কোন কিছু করার অনুমতি। যেমন, ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করা যাবে কি না তা জিজ্ঞেস করতে "ৎসুকাইমাস্‌" (ব্যবহার করা), ক্রিয়াটি পরিবর্তন করে "ৎসুকায়েমাস্‌" (ব্যবহার করতে পারা) বলা হচ্ছে।

সব ক্রিয়ার এই রূপটি নেই। যেসব ব্যাপার লোকের ইচ্ছের উপর নির্ভরশীল নয়, ঐসব ক্রিয়ার এই রূপটি নেই। যেমন বৃষ্টি "পড়া”, "ফুরিমাস্‌"।

এবার সক্ষমতা বা সম্ভাব্যতাজ্ঞাপক রূপ তৈরির নিয়ম শেখা যাক। যেসব ক্রিয়াপদের "মাস্‌" অংশের ঠিক আগে থাকে "এ" অথবা এ-কার যুক্ত ব্যঞ্জন, তাদের ক্ষেত্রে "মাস্‌" অংশটির আগে জুড়ে দিন "রারে"। তাহলে "তাবেমাস্‌"(খাওয়া), ক্রিয়াটি হয়ে যাবে " তাবেরারেমাস্‌" (খেতে পারা, বা খাওয়ার যোগ্য হওয়া)।

আবার যেসব ক্রিয়াপদের "মাস্‌" অংশের ঠিক আগে থাকে "ই" অথবা ই-কার যুক্ত ব্যঞ্জন, তাদের ক্ষেত্রে দুটি নিয়ম প্রযোজ্য।

একটি নিয়ম হল, কোন কোন ক্রিয়ার এই "ই" উচ্চারণটিকে "এ" বানানো। কাজেই "হানাশিমাস্‌" (কথা বলা), এই ক্রিয়াটি হয়ে যাবে "হানাসেমাস্‌"(কথা বলতে পারা)। "ৎসুকাইমাস্‌"(ব্যবহার করা), হয়ে যায় "ৎসুকায়েমাস্‌" (ব্যবহার করতে পারা)।
আর এই ধরনের অন্যান্য ক্রিয়ার ক্ষেত্রে "মাস্‌" অংশের আগে "রারে" জুড়ে দিতে হবে। " মিমাস্‌"(দেখা), এই ক্রিয়াটি হয়ে যায় "মিরারেমাস্‌"(দেখতে পারা)।
আবার কোন কোন ক্রিয়া সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলে না। "কিমাস্‌" (আসা), এই ক্রিয়াটি হয়ে যায় "কোরারেমাস্‌" (আসতে পারা)।
"শিমাস্‌" (করা), এই ক্রিয়াটি হয়ে যায় "দেকিমাস্‌" (পারা)। কাজেই এগুলো মুখস্থ রাখার চেষ্টা করুন।
"শিক্ষণ উপকরণ" মেনু দেখুন।
*আপনি এনএইচকে ওয়েবসাইট থেকে বের হয়ে যাবেন।